পোস্ট

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

রবীন্দ্রসঙ্গীতে তালের বৈচিত্র্য লক্ষণীয়।রবীন্দ্রনাথ বলেছেন যে গানের ভাব অনুযায়ী তালের ছন্দ নির্দিষ্ট হওয়া উচিৎ। কোনো কোনো গান তাল ছাড়াও হতে পারে।তিনি মূলত দক্ষিণ ভারতীয় তালের কাঠামো অনুসরণ করে তাল তৈরী করেছেন। আবার,হিন্দুস্তানী কিছু তালের ছন্দ পরিবর্তন করেছেন।সুরফাঁকতালের ছন্দ ২|২|২|২|২,তবে রবীন্দ্রনাথ ৪|২|৪ ছন্দে তালটিকে তৈরী করেছেন। আড়াচৌতালের ছন্দ ২|২|২|২|২|২|২,রবীন্দ্রসৃষ্ট ছন্দ ২|৪|৪|৪। ধামার তালের ছন্দ ৫|২|৩|৪,রবীন্দ্রসৃষ্ট ছন্দ ৩|২|২|৩|৪।   ঝাঁপতালকে ৫|৫ ছন্দে,একতালকে ৪|৪|৪ ছন্দে তৈরী করেছেন।আবার তিনি নিজের তৈরী তালেরও ছন্দ পরিবর্তন করেছেন। যেমন নবতাল থেকে ৯ মাত্রার ছন্দ, একাদশী থেকে ৩|৪|৪ ছন্দের তাল। ষষ্ঠী তাল থেকে ৪|২ ছন্দের তাল।  রবীন্দ্রনাথ ভানুসিংহ ঠাকুর ছদ্মনামে কিছু গান রচনা করেন, যা মৈথিলি বা ব্রজবুুুলী ভাষায় লেখা। অক্ষয়চন্দ্র সরকার ও সারদাচরণ মিত্র দ্বারা সংকলিত প্রাচীন কাব্যের বইয়ের দ্বারা তিনি প্রভাবিত হন।সেটি মৈথিলি ভাষায় ছিল। ভানুসিংহের পদাবলীর গানে বৈষ্ণব পদাবলীর প্রভাব দেখা যায়। মোট ২২ টি গান আছে,এর মধ্যে ৯ টি গানের স্বরলিপি আছে ২১ নং স্বরবিতানে।বাকী গানের স্বরলিপ

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

রবীন্দ্রনাথ কৈশোর থেকেই বৈষ্ণব পদাবলী পাঠ করেছেন ও তার গানগুলির সুর দ্বারা প্রভাবিত হয়েছেন। তাই গীতাঞ্জলির,গীতালির,গীতিমাল্যর গানে প্রভু,নাথ,সখী,বধূ,প্রিয় প্রভৃতি শব্দ পাওয়া যায়। রবীন্দ্রসঙ্গীত বাণী ও ভাবপ্রধান গান।উভয়ের প্রতি সমান দৃষ্টি নিবদ্ধ রাখা গায়কের জন্য খুব দরকার। সে সময় কলকাতায় ইউরোপীয় অপেরার প্রচলন ছিল। রবীন্দ্রনাথ তার দ্বারা প্রভাবিত হয়ে গীতিনাট্য ও নৃত্যনাট্য রচনা করেন। তিনি যখন ইংল্যান্ডে ছিলেন,তখনও এর প্রতি আকৃষ্ট হন। নৃত্যনাট্যে তিনি উত্তর ভারতীয় কত্থক, দক্ষিণ ভারতীয় কথাকলি, পূর্ব ভারতীয় মণিপুরী,সিংহলের কাণ্ডিনাচকে যুক্ত করেছেন। রবীন্দ্রনাথ শিখ ভজন "বাদৈ বাদৈ রম্য বীণ বাদৈ"-র আদলে লিখেছেন "বাজে বাজে রম্য বীণা বাজে"।"গগনোমো তল ,রবিচন্দ্র"-র আদলে গগনের থালে রবিচন্দ্র" এবং এ হরি সুুুুন্দর।লক্ষ্নৌ-এর সুরের প্রভাবে লেখেন "খেলার সাথী বিদায় দ্বার খোলো" "তুমি কিছু দিয়ে যাও"।গুজরাটী গানের সুরে লেখেন "এ কি অন্ধকার ভারতভূূূমি","নমি নমি ভারতী","যাওরে অনন্তধামে","কোথা আছ প্রভু","কিহ্ন

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর 

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

অমিয়া ঠাকুর 

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

ইন্দিরাণী দেবী চৌধুরাণী

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

শৌরীন্দ্রমোহন ঠাকুর 

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

দিনেন্দ্রনাথ ঠাকুর :-১২৮৯ বঙ্গাব্দে,১৮৮২ খ্রীষ্টাব্দে ২ পৌষ দিনেন্দ্রনাথ ঠাকুর জন্ম গ্রহণ করেন।পিতা দ্বিপেন্দ্রনাথ ঠাকুর ও মাতা সুশীলা দেবী। পিতামহ দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন রবীন্দ্রনাথের বড় দাদা।স্কুল শিক্ষা শেষে সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজে ভর্তি হন। তারপর ইংল্যান্ড যান ব্যারিস্টার হওয়ার জন্য।কিন্তু তা না শেষ করে পাশ্চাত্য সঙ্গীতে জ্ঞাণ অর্জন করেন। রাধিকাপ্রসাদ গোস্বামী,দ্বিজেন্দ্রলাল রায়  ও শ্যামসুন্দর মিশ্রর কাছে সঙ্গীত শিক্ষা করেন।  পরবর্তীতে তিনি কবি,অভিনেতা, গীতিকার,সুরকার,সঙ্গীত শিক্ষক ছিলেন। "বাল্মিকী প্রতিভা ","অচলায়তন ","বিসর্জন ","তপতী"-তে অভিনয় করেছেন। গান লিখেছেন ১৩টি।রবীন্দ্রনাথ তাঁর সম্পর্কে লিখেছেন যে তিনি রবীন্দ্রনাথের সৃষ্ট সুর ভালোভাবে মনে রাখতেন।তাঁর চেষ্টার জন্যই রবীন্দ্রনাথের গান রক্ষা পেয়েছে। ১৩৪২ বঙ্গাব্দে,১৯৩৬ সালে ৫ শ্রাবণ দিনেন্দ্রনাথ ঠাকুরের মৃত্যু হয়। 

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

দেবব্রত বিশ্বাস

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

কৃষ্ণধন ব্যানার্জ্জী

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

অনন্তলাল ব্যানার্জ্জী 

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

ক্ষেত্রমোহন গোস্বামী 

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

রামশঙ্কর ভট্টাচার্য 

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

অনাদিকুমার দস্তিদার 

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

কনক বিশ্বাস

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

সাহানা দেবী 

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

শৈলজারঞ্জন মজুমদার 

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

রাধিকাপ্রসাদ গোস্বামী 

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

বিদ্যাপতি 

Sangeet Shaatra/Sangeet Byakaran

বৈজু বাওরা

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

জ্ঞানেন্দ্র প্রসাদ গোস্বামী 

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

শ্রীকন্ঠ সিংহ 

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

শচীন দেব বর্মণ 

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

নবদ্বীপচন্দ্র ব্রজবাসী

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

জয়দেব :-  বীরভূমের কেন্দুবিল্ব বা কেন্দুলি গ্রামে কবি জয়দেব গোস্বামী  জন্মগ্রহণ করেন।মতান্তরে তিনি উড়িষ্যা বা মিথিলার অধিবাসী ছিলেন। পিতা ভোজদেব,মাতা বামা দেবী।পত্নী পদ্মাবতী।১১১৯-১২০৫ সালের মধ্যে রাজা লক্ষণসেনের সভাকবি ছিলেন।  তাঁর রচিত "গীতগোবিন্দ" সর্বজনবিদিত। সংস্কৃত ভাষায় বসন্ত কালের রাধাকৃষ্ণের রাসের উল্লেখ আছে এতে। এই বইটি বিভিন্ন ভারতীয় ভাষায়, বিদেশী ও ইংরাজীতে অনুবাদ করা হয়েছে। তাঁর রচিত গান প্রতিবছর কেন্দুলি গ্রামের জয়দেবের  মেলায় গাওয়া হয়।মেলা পৌষ সংক্রান্তিতে শুরু হয়, এক মাস চলে।সেখানে বাউল,সন্ন্যাসী, বৈষ্ণবরা উপস্থিত থাকেন।

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

রামপ্রসাদ সেন 

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

ছবি
সরোদ

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

ছবি
সুরবাহার 

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

দ্বিজেন্দ্রলাল রায় :- ১৮৬৩ সালে ১৯ জুলাই নদীয়ার কৃষ্ণনগরে জন্মগ্রহণ করেন দ্বিজেন্দ্রলাল রায়। পিতা কার্তিকেয়চন্দ্র রায় ছিলেন কৃষ্ণনগর রাজার দেওয়ান ও মাতা প্রসন্ন ময়ী দেবী ছিলেন শান্তিপুুুুরের শ্রমদ্বৈতাচার্যের বংশধর।বাল্যকালে দ্বিজেন্দ্রলাল বিদ্যাসাগর, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়,দীনবন্ধু মিত্র, অক্ষয়কুমার দত্ত, নবীনচন্দ্রের সান্নিধ্যে আসেন।  ১৮৭৮ সালে কৃষ্ণনগর কলেজিয়েট স্কুল থেকে বৃত্তিসহ প্রবেশিকা উত্তীর্ণ হন।১৮৮৩ সালে হুগলী কলেজ থেকে বি.এ. প্রথম বিভাগে ও ১৮৮৪ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে Honour-এর সম্মান নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে এম.এ পাশ করেন। কৃষিবিদ্যা শিক্ষার জন্য ইংল্যান্ড যান।পরবর্তীতে তিনি ডেপুটি ম্যাজিসেট্রট হন। তাঁর পিতা গায়ক ছিলেন বলে,পিতার কাছে সঙ্গীত শিক্ষা শুরু হয়। তারপর শশীভূষণ কর্মকারের কাছে সঙ্গীত শিক্ষা করেন। মুঙ্গেরে থাকাকালীন একজন ওস্তাদের কাছে সঙ্গীত শিক্ষা করেন। ইংল্যান্ডে থাকাকালীন মিসেস কুইনের কাছে পাশ্চাত্ত্য সঙ্গীত শিক্ষা করেন। ১৮৮৭ সালে হোমিওপ্যাথি ডক্টর প্রতাপচন্দ্র মজুমদারের জ্যেষ্ঠা কন্যা সুরবালা দেবীর সঙ্গে বিবাহ করেন ।১৯০৩ সালে স্ত্রী মারা যান। চাকরি জীবন সুখ

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

রজনীকান্ত সেন 

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

অতুলপ্রসাদ সেন 

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

কাজী নজরুল ইসলাম 

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ 

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

ওস্তাদ হাফেজ আলী খাঁ 

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

ওস্তাদ এনায়েৎ হুসেন খাঁ 

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

শ্রী কৃষ্ণনারায়ণ রতনঝঙ্কার 

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

আমীর খুসরো

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

বড়ে গোলাম আলি খাঁ

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

ফৈয়াজ খাঁ 

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

আব্দুল করিম খাঁ 

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

হসসু-হদদু খাঁ 

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

ওঙ্কারনাথ ঠাকুর 

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

সদারঙ্গ-অদারঙ্গ

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

হৃদয়নারায়ণ দেব

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

রামামাত্য

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

শ্রীনিবাস 

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

মহম্মদ রজা

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

তানসেন 

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

শার্ঙ্গদেব

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

বিষ্ণু চক্রবর্তী 

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

যদু ভট্ট 

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

পন্ডিত বিষ্ণুদিগম্বর পালুস্কর 

Sangeet shastra/Sangeet Byakaran

জীবনী

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

ছবি
একতারা:- এটির নীচের অংশ লাউয়ের তৈরী। এটির উপর চামড়ার আচ্ছাদন।খোলের উপরে দুুটি ছিদ্র থাকে,এখানে দুটি বাঁশের দন্ড লাগানো থাকে।দন্ডের মাথায় কান থাকে।চামড়ার আচ্ছাদনের উপর ব্রীজ থাকে।তার উপর দিয়ে একটি মাত্র তার কানের সঙ্গে লাগানো থাকে।একটি আঙুল দিয়ে এই যন্ত্র বাজান হয়।    

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

ছবি
গীটার:- গীটার বড় আকারের বেহালা সদৃস।এর কাঠামো কাঠের তৈরি। মাঝে একটি বড় গর্ত থাকে,সাউন্ড হোল বলে।লম্বা অংশকে ফিঙ্গার বোর্ড বলে।এতে ১৮-১৯টি সরু পিতলের পর্দা লাগানো থাকে,যাদের বলে ফ্রেট।ফ্রেটের মাঝে ৪/৫টি সাদা গোল চিহ্ন থাকে,তাদের স্বরনির্দেশক চিহ্ন বলে।গীটারের নীচে,গর্তর নীচে ব্রীজ থাকে।এর পিছনে তিনকোণা ধাতুর তৈরি টেল পীস থাকে।টেল পীস থেকে,ব্রীজের উপর দিয়ে গীটারের ৬টি তার দন্ডের উপরের দিকে ৬টি কানের সঙ্গে যোগ করা হয়।দন্ডের উপরে দু দিকে ৩টি করে ৬টি ধাতুর কান থাকে।এদের সুর বাঁধার চাবি বলে।ডান হাতের পিক্স ও থাম এবং বাম হাতের ৩ ইঞ্চি লম্বা বার দিয়ে গীটার বাজান হয়।রাগ/কোনো গান বাজাতে প্রধানতঃ ই মেজর স্কেলে সুর বাঁধা হয়।         

Sangeet shastra/Sangeet Byakaran

ছবি
দিলরুবা:- এসরাজের বড় আকৃতিকে দিলরুবা বলে।আবার সারেঙ্গী ও সেতারের রূপান্তরও বলে।এর নীচের দিক সারেঙ্গী ও উপরের দিক সেতারের মত।বাকী বৈশিষ্ট্য এসরাজের মত।আওয়াজ এসরাজের চেয়ে গম্ভীর। তরবের তার এতে বেশি থাকে।পটরীর কাঠের নীচ দিয়ে এই তারগুলি উপরের কানগুলির সঙ্গে যোগ করা হয়। পটরীর কাঠের উপর দুদিকে দুটি সওয়ারি থাকে,তার উপর দিয়ে ৭-৮টি তার টানা হয়।   

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

ছবি
মৃদঙ্গ:- এর আর একটি নাম পাখোয়াজ।এই শব্দের উৎপত্তি হিসাবে ভাবা হয় পক্ষবাজ শব্দকে।পক্ষ মানে একজোড়া ও বাজ মানে বাদ্য বা যাতে একজোড়া আওয়াজ পাওয়া যায়। মৃদঙ্গের কাঠামো লাল চন্দনের কাঠ দিয়ে তৈরি।ভিতর ফাঁপা।এর দুটি মুখ। বামদিক ১০ ইঞ্চি চওড়া, ডানদিক আট ইঞ্চি চওড়া। মৃদঙ্গ ২৪-২৬ ইঞ্চি লম্বা। দুদিকের মুখ চামড়া দিয়ে আবৃত থাকে, একে ছাউনি বা পুড়ী বলে। বাম দিকের মুখ বড়,ডানদিকের মুখ ছোট।পুড়ীর চারধারে চামড়ার যে বিনুনি থাকে তাকে গজরা বলে।ডান দিকের পুড়ীতে গাব থাকে, বাম দিকের পুুড়ীতে আটা লাগানো হয়।উভয় দিকের আওয়াজে সামঞ্জস্য সাধনের জন্য   আটার পরিমাণ বাড়ানো-কমানো হয়।উভয় দিকের গজরার মধ্য দিয়ে চামড়ার ছোট বা বদ্ধি থাকে।এর মধ্য  দিয়ে কাঠের গাট্টা লাগানো হয় সুরে সামঞ্জস্য সাধনের জন্য। 

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

ছবি
আনন্দলহরী:- এটি কিছুটা ঢোলকের মত দেখতে।এর আর এক নাম খমক ও গাব্-গুবাগুব।এর খোল কাঠের তৈরি, অপরটি খোলা ও নীচের অংশ চামড়া দ্বারা আবৃত। নীচের অংশের ঠিক মাঝে ছিদ্র করে একটি গোতন্ত লাগানো হয়। এর অন্য দিকটি একটি কাঠের ভাঁড়ে লাগানো হয়।ডান হাত দিয়ে তন্তুতে আঘাত করে বাম বগলে খোলটিকে চেপে এই যন্ত্রটি বাজান হয়।         

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

ছবি
এসরাজ:- এটি সেতার ও সারেঙ্গী যন্ত্রটির সংমিশ্রণে তৈরি।তাই এর দন্ড সেতারের মত ও খর্পর সারেঙ্গীর মত।দন্ড কাঠের তৈরি, তার গায়ে মুগা সুতো দিয়ে পর্দাগুলি বাঁধা থাকে। দন্ডের নীচের অংশের উপরিভাগ চামড়া দিয়ে আবৃত থাকে।একে ছাউনি বলে। তার মাঝে হাতির দাঁতের ব্রীজ থাকে।তার নীচের দিকে এসরাজের তার যোগ করার একটি অংশ থাকে,যা লঙ্গোট নামে অভিহিত।লঙ্গোটে তারের একদিক বাঁধা থাকে, অপর দিক দন্ডের মাথায় থাকা খুঁটিতে যোগ করা থাকে।পাশে কাঠের একটি ফলকে ১৫টি কান সংযুক্ত থাকে,তাতে কিছু তার বাঁধা থাকে,যা তরবের তার নামে অভিহিত। এই যন্ত্রের চারটি তার।প্রথমটি স্টিলের,মন্দ্র সপ্তকের 'ম'-তে মেলানো হয়।পরের দুইটি মন্দ্র সপ্তকের 'সা'-তে মেলানো হয়,এদের জুুড়ীর তার বলে।চতুর্থ তার পিতলের,মন্দ্র সপ্তকের 'প'-তে মেলানো হয়।ছড়ি ডান হাতে টেনে,বাঁ হাতের আঙুল দিয়ে সারেঙ্গীর মত বাজান হয়। 

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

ছবি
খোল:- চামড়ার আর একটি তালবাদ্য হল খোল।চামড়ার বাদ্যযন্ত্রকে অবনদ্ধ বাদ্য বলা হয়।পোড়া মাটি দিয়ে এর কাঠামো তৈরি হয়।মধ্যভাগ স্ফীত,দুই দিক ঢালু হয় ও চামড়া দ্বারা ঢাকা থাকে।মাঝখানে গাব থাকে তবলার মত।এর বাঁদিকে বাঁয়ার মত আওয়াজ হয়।পরিধি ৭-৮ ইঞ্চি হয়।ডানদিকের পরিধি ৩-৪ ইঞ্চি হয়।উভয় দিক চামড়ার বদ্ধি দিয়ে বাঁধা থাকে।তবলার মত এতে সুর মেলানোর প্রয়োজন হয় না। কীর্তন, ভক্তিগীতি, কীর্তনাঙ্গের রবীন্দ্রসঙ্গীতে খোল বাজে।  

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

ছবি
তবলা:- ভারতীয়  সঙ্গীতে তালবাদ্য বা চামড়ার বাদ্যযন্ত্রে,তবলাই প্রধান।ডান হাতে বাজান হয় যেটি,সেটি তবলা।বাঁয়া বা ডুগি বলা হয় তাকে,যেটি বাঁ হাতে বাজান হয়। বাঁয়ার কাঠামো তৈরি হয় মাটি,তামা,পিতল,সীসা দিয়ে।একে হাঁড়ি বা কুঁড়ী বলে।এর ভিতর ফাঁপা,চামড়া দিয়ে মুখ ঢাকা থাকে।একে ছাউনি বা পুড়ী বলে। উপরে গোল কালো অংশটিকে গাব বা স্যাহী বলে।পুড়ীর চারদিকে এক ইঞ্চি চামড়ার পট্টিকে চাঁটি বা কিনার বলে।পুড়ীর চারধারে চামড়ার যে বিনুনী থাকে তাকে গজরা বা পাগড়ী বলে।গাব ও চাঁটির মাঝের অংশকে ময়দান বা লব বলে।    পুড়ী কষার জন্য কিছু বাঁয়াতে পিতলের আংটির মত ডোরি লাগানো থাকে,কিছুতে চামড়ার বদ্ধি লাগানো হয়।এই বদ্ধি বা ছোট হল চামড়ার সরু ফিতের মত,যা গজরা বা গুড়রীর মধ্য দিয়ে লাগানো হয়।বাঁয়ার নীচে চামড়ার মালার মতো অংশকে গুড়রী বা বেষ্টনী বলে। তবলা কাঠামোকে কাঠ বা লকড়ী বলে।এটি তৈরি হয় আম,কাঁঠাল, চন্দন, নীম,শীষম কাঠ দিয়ে। এর ভিতর ফাঁপা। উচ্চতা এক ফুট।বাকী বৈশিষ্ট্য সব বাঁয়ার মত।বদ্ধির মধ্যে দুই ইঞ্চি লম্বা কাঠের আটটি গোল টুকরো লাগানো থাকে,তাকে গুলি বা গাট্টা বলে।এগুলি ঠুকে ঠুকে সুর মেলানো হয়।  

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

ছবি
তানপুরা:- তানপুরা শাস্ত্রীয় সঙ্গীত শেখার অপরিহার্য অঙ্গ।কথিত আছে যে তম্বরু মুনি এই যন্ত্র আবিষ্কার করেন,তাই এর নাম তম্বুরা বা তানপুরা। এর লম্বা দন্ডটি তুঁত,কাঁঠাল বা সেগুন কাঠ দিয়ে তৈরি হয়।নীচের গোলাকৃতি,ফাঁপা অংশটি,যাকে তুম্বা বলা হয়,তৈরি লাউ দিয়ে। তুম্বার উপরে পাতলা কাঠের ঢাকা থাকে,যাকে তবলী  বলে।দন্ড ও তুম্বার সংযোগস্থলকে গুলু বা কমর বলে।তুুম্বার নীচে,একেবারে শেষে চারটি ছিদ্রযুক্ত কাঠের খন্ড লাগানো থাকে,যাকে মোগরা বলে।তবলীর মাঝখানে হাড়ের তৈরি একটি ব্রীজ থাকে।জোয়ারী বলেএর উপরের সমতল অংশকে।এটি ঠিক রাখা হয় ব্রীজের উপরে সুতো লাগিয়ে তারের সঙ্গে। খুঁটির মাথায় চারটি কাঠের গোল টুকরো থাকে,একে খুঁটি বা কান বলে।এর সঙ্গে বাঁধা হয় তানপুরার চারটি তারের একপ্রান্ত। মোগরার সঙ্গে বাঁধা হয় আর এক প্রান্ত। খুঁটির নীচে দুটি হাড়ের অংশ থাকে,তাদের অটী ও তারগহন।চারটি তারের প্রথমটি পিতল বা স্টীলের তৈরি হয়। দ্বিতীয়, তৃতীয় টি স্টীলের ও চতুর্থটি পিতলের তৈরি।তারগুলি  তারগহনের ছিদ্রের মধ্য দিয়ে খুঁটিতে লাগানো হয়। এই চারটি তারের মধ্য দিয়ে চারটি মোতি লাগানো থাকে ব্রীজের নীচে,একে মনকা বলে।এগুুুলিকে সরিয়ে তানপুরার সুর

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

তাল-ছন্দবদ্ধ কিছু মাত্রা সমষ্টি হল তাল।শিবের তাণ্ডব নৃত্যের প্রথম অক্ষর 'ত' এবং দূর্গার লাস্য নৃত্যের প্রথম অক্ষর 'ল' নিয়ে তাল শব্দটি তৈরি হয়েছে। সঙ্গীতকে সুন্দরভাবে ছন্দবদ্ধ করে মুগ্ধতা আনার জন্যই তালের সৃষ্টি।তাল দুরকম:সমপদী ও বিষমপদী।  সমান মাত্রায় বিভক্ত তাল সমপদী,যথা-দাদরা,একতাল। অসমান মাত্রাবিশিষ্ট তাল হল বিষমপদী, যথা-তেওড়া,ঝাঁপতাল।  মাত্রা-সঙ্গীত বা তালের লয় মাপার একক হল মাত্রা। কয়েকটি মাত্রা সমষ্টিই তাল।সব তাল সম্ থেকে বা প্রথম মাত্রা থেকে শুরু হয়না।সম্ শব্দের অর্থ হল সঙ্গীতে তালের প্রথম উৎপত্তিস্থল অথবা তালের সমাপ্তি, যা বেশি জোরে বাজান হয়।তালের প্রথম মাত্রা সম্।সব তাল বাজানোর সময় সম্ থেকে শুরু করে সম্ এ এসে শেষ হয়।একে এক আবর্তন বলে।   লয়-সঙ্গীতের গতির যা সমতা রক্ষা করে, তাই লয়। লয় তিনপ্রকার:বিলম্বিত, মধ্য ও দ্রুত লয়। বিলম্বিত লয়ে মাত্রা বা সময় দীর্ঘ করে বাজান হয়। বিলম্বিত লয়ের দ্বিগুণকে মধ্যলয় বলে। মধ্য লয়ের দ্বিগুণকে দ্রুত লয় বলে। তালের দুই মাত্রাকে এক মাত্রার মধ্যে গাওয়া বা বাজান হলে,তাকে দ্বিগুণ লয় বলে।একভাবে তিনগুণ, চৌগুণ বাজান হয়। ঠেকা-তবলার ভাষাকে ঠেকা ব

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

ভাওয়াইয়া ভাটিয়ালীর মত।পল্লিবাসী নর-নারীর বিবাহ,মিলন,বিচ্ছেদের গান।পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের ভাষা ও উচ্চারণ অনুযায়ী গায়কী পৃথক। ভাটিয়ালী বাংলাদেশের গান মূলত।পশ্চিমবঙ্গেও গাওয়া হয়।মাঝিরা নৌকা বাওয়ার সময় নিজেদের পরিবার,জীবন নিয়ে গান গেয়ে থাকেন। টুসু মানভূম অঞ্চলের একটি বিশেষ পরব।এই পরব উপলক্ষে যে গান গাওয়া হয়, তাই টুসু গান।বর্ধমান,বিহারের সিংভূম, উড়িষ্যার ময়ূরভঞ্জ-এ এ গান প্রচলিত।  বাঁকুড়া, বর্ধমান,বীরভূমের গ্রামে ভাদু উৎসব উপলক্ষে ভাদু গান গায় কুমারী মেয়েরা। গম্ভীরা গাজনের মত,একে শিবসঙ্গীতও বলা হয়। চৈত্র মাসে মালদহে এই গান গাওয়া হয়। প্রধানতঃ রাজবংশী, পোলিয়া,কোচ,নাগর প্রভৃতি আদিবাসীদের কন্ঠে এই গান শোনা যায়।  মঙ্গলকাব্য হল মনসা, চণ্ডী, শীতলা,ষষ্ঠী প্রমুখ মঙ্গল দেবীর গুণকীর্তন।খ্রীষ্টীয় ত্রয়োদশ-অষ্টাদশ শতাব্দী সময় কে মঙ্গলকাব্যের যুগ বলে।যেমন-মনসামঙ্গল,চণ্ডীমঙ্গল, ধর্মমঙ্গল,শিবমঙ্গল,অন্নদামঙ্গল, ষষ্ঠীমঙ্গল,চৈতন্যমঙ্গল।নৃত্য ও বাদ্যযন্ত্র সহযোগে বিভিন্ন রাগে নিবদ্ধ করে মঙ্গল কাব্যের গান গাওয়া হত।  চারণ বলা হত তাদের,যারা যুুদ্ধকালে বীরগাথা গেয়ে যোদ্ধাদের উৎসাহ দিত।

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

লোকসঙ্গীত: গ্রামের পূজা,উৎসাহ,গার্হস্থ্য অনুষ্ঠানে,কৃষিকাজে,নৌকা চালানোর সময়,ভিক্ষা করার সময়,ধর্মীয় অনুষ্ঠানে,পশু করানোর সময় মাঠে যেসব গান গীত হয়, তাই লোকসঙ্গীত বা লোকগীতি।একে দেশী সঙ্গীত ও বলে।শাস্ত্র ও ব্যাকরণের নিয়ম কঠিন থাকেনা এতে। ভাবসঙ্গীত-এটি প্রধানতঃ অধ্যাত্ম বিষয়ক গান,গায়কের অন্তর্নিহিত ভাব প্রকাশের জন্য। ভজন,শ্যামাসঙ্গীত,ব্রহ্মসঙ্গীত এর উদাহরণ।  কীর্তন-কারো প্রশংসা করে যে গান রচিত হয়, তাই কীর্তন।রাধাকৃষ্ণ লীলা বিষয়ক গান এটি।কীর্তন দুপ্রকার-নামকীর্তন ও লীলাকীর্তন।এতে ভারতীয় রাগ-রাগিণীর প্রয়োগ হয়। ১০৮ রকম তাল ব্যবহার হয়। পালাকীর্তন গাওয়ার সময় শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর গুণকীর্তন বা গৌরচন্দ্রিকা গাওয়া হয়। বাংলাদেশে মনোহরশাহী,গরাণহাটি,রেণেটি,ইন্দ্রাণী,ঝাঝাড়খণ্ডী ঠাটের কীর্তন প্রচলিত।কীর্তনের গায়কীর মধ্যে রাজ্যভেদে পার্থক্য আছে,ভাব ও সুর বিশেষে।  বাউল-বাংলাদেশের একটি সম্প্রদায় বাউল।এরা যাযাবর জীবন যাপন করে। বাউল গান দেহতত্ব বিষয়ক।এই গানের  ভাষা হেয়ালীপূর্ণ।এরা মনে করেন যে দেহকে অবলম্বণ করে কামের মাধ্যমে প্রেমে উত্তীর্ণ হতে হয়। বাউলের পায়ে থাকে ঘুঙুর, ডানহাতে একতারা ও কোমরে বাঁয়া।বাউলরা

Sangeet shastra/Sangeet Byakaran

খেয়াল-এই শব্দের অর্থ স্বাধীনতা। এটি ফার্সী শব্দ।এই গান খেয়াল গাওয়া হয়।খেয়াল তিন রকম : বিলম্বিত-বড় খেয়ালকে বিলম্বিত লয়ের খেয়াল বলে।এটি মীড়,গমক,খটকা সহযোগে গাওয়া হয়। সাধারণত একতাল,ঝুমরা,তিলুয়াড়া তালে গাওয়া হয়।এটি শান্ত ও করুণ রসের হয়। স্থায়ী ও অন্তরা থাকে। ছোট খেয়াল-মধ্য ও দ্রুত লয়ের খেয়াল হল ছোট খেয়াল। সাধারণত ত্রিতাল, দ্রুত একতাল, ঝাঁপতালে গা গাওয়া হয় বিস্তার, তান,বোলতান সহযোগে। স্থায়ী ও অন্তরা থাকে।  ধ্রুপদ-এটি ভারতের প্রাচীন গান।একে ধ্রুবপদ ও বলা হয় অর্থাৎ সত্য শব্দ।আনুমানিক ৫০০ বছর আগে এর প্রচলন হয়। গোয়ালিয়রের রাজা মানসিংহ তোমরা এর প্রবর্তক। তাঁর নামে ধ্রুপদ গাওয়া হয়। আকবরের পৃষ্ঠপোষকতায় এটি উৎকর্ষ লাভ করে। ধামার-এটি চোদ্দ মাত্রার বিষমপদী তাল। হোরী নামক প্রবন্ধ গান প্রধানত এই তালে গাওয়া হয়।তাই একে ধামার বলে।কলাবন্ত গায়করা বসন্ত ঋতুতে হোলির সময় এই গান গাইতেন।রাধাকৃষ্ণ বিষয়ক বর্ণনা থাকে এতে।এতে মীড়, গমক, দ্বিগুণ, তিনগুণ, চৌগুণ,আড় লয় ব্যবহার হয়। তান ব্যবহার হয় না। ধ্রুপদের পরই ধামার গাওয়া হয়।  টপ্পা-এটি হিন্দী শব্দ। প্রাচীনকালে পঞ্জাবের উটপালকেরা এই গান গাইতেন। পরে লক্ষ্নৌ-এর শোরী মিঞা

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

জয়জয়ন্তী- ঠাট খাম্বাজ, জাতি সম্পূর্ণ-সম্পূর্ণ। সময়- রাত দ্বিতীয় প্রহর। বাদী রে,সমবাদী প।উভয় গ ও নি ব্যবহার হয়।  তিলককামোদ-ঠাট খাম্বাজ, জাতি ষাড়ব-সম্পূর্ণ। আরোহে নি বর্জিত,সময়-রাত ২য় প্রহর। বাদী রে,সমবাদী প।  সিন্ধু ভৈরবী-ঠাট আশাবরী, জাতি সম্পূর্ণ-সম্পূর্ণ। সময়- দিবা দ্বিতীয় প্রহর।বাদী ম(মতান্তরে কোমল  ধ),সমবাদী সা।গ,ধ,নি কোমল।  মূলতানী-ঠাট টোড়ী, জাতি ঔড়ব-সম্পূর্ণ। সময়-দিবা ৪র্থ প্রহর।রে,গ,ধ কোমল ও ম তীব্র। বাদী প,সমবাদী সা।  সুরদাসী মল্লার-ঠাট খাম্বাজ,জাতি ঔড়ব-ষাড়ব। আরোহে গ,ধ বর্জিত ও অবরোহে গ বর্জিত। উভয় নি ব্যবহার হয়। আ রোহে শুদ্ধ নি ও অবরোহে কোমল নি ব্যবহার হয়। বাদী ম,সমবাদী সা। সময় রাত ২য় প্রহর। বর্ষাকালীন রাগ। শুদ্ধ মল্লার-ঠাট বিলাবল,জাতি ঔড়ব-ঔড়ব। গ,নি বর্জিত। বাদী ম,সমবাদী সা। সময়-মধ্যরাত।সব শুদ্ধ স্বর। বর্ষাকালীন রাগ। গম্ভীর প্রকৃতির।  আলহাইয়া বিলাবল-ঠাট বিলাবল,জাতি ষাড়ব-সম্পূর্ণ। আ রোহে ম বর্জিত। উভয় নি ব্যবহার হয়। আরোহে শুদ্ধ নি, অবরোহে কোমল নি। বাদী ধ,সমবাদী গ।সময় দিবা ১ম প্রহর। শান্ত প্রকৃতির।  দূর্গা-ঠাট বিলাবল,জাতি ঔড়ব-ঔড়ব। গ,নি বর্জিত। বাদী ম,সমবাদী সা। সব শুদ্ধ স্বর ব্যব

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

রাগ পরিচয় : দেশকার-ঠাট বিলাবল, জাতি ঔড়ব-ঔড়ব। সময়-দিবা ১ম প্রহর। বাদী ধ,সমবাদী গ।ম,নি বর্জিত। গম্ভীর প্রকৃতির।সব শুদ্ধ স্বর।   শঙ্করা-ঠাট বিলাবল,জাতি ঔড়ব-ঔড়ব। সময় -রাত ২য় প্রহর। বাদী গ,সমবাদী নি।সব শুদ্ধ স্বর;রে,ম বর্জিত । হামীর-ঠাট কল্যাণ, জাতি ষাড়ব-সম্পূর্ণ। সময় রাত ১ম প্রহর। বাদী ধ,সমবাদী গ। উভয় ম ব্যবহার হয়।আরোহে প বর্জিত।  যোগিয়া-ঠাট ভৈরব,জাতি ঔড়ব-ষাড়ব। সময় প্রাতঃকাল। বাদী ম,সমবাদী সা।আরোহে গ,নি বর্জিত ও অবরোহে গ বর্জিত। করুণ প্রকৃতির।রে,ধ কোমল।  পীলু-ঠাট কাফী, জাতি সম্পূর্ণ-ষাড়ব। সময় দিবা ৩য় প্রহর। বাদী গ,সমবাদী নি।গ,ধ,নি কোমল ও শুদ্ধ নি ও ব্যবহার হয়। ভৈরবী, গৌড়ী,ভীমপলশ্রী রাগের সংমিশ্রণে এই রাগের উৎপত্তি।এ রাগে শুধু ঠুংরী ই হয়।অবরোহে রে বর্জিত।   মেঘমল্লার-ঠাট কাফী, জাতি ঔড়ব-ঔড়ব। সময় রাত ১ম প্রহর। বাদী সা,সমবাদী প। গ,ধ বর্জিত। উভয় নি ব্যবহার হয়।  সাহানা-ঠাট কাফী, জাতি ষাড়ব-সম্পূর্ণ। সময় রাত ৩য় প্রহর। বাদী প,সমবাদী সা।গ,নি কোমল।আরোহে রে বর্জিত। বারোয়া-ঠাট কাফী, জাতি ষাড়ব-সম্পূর্ণ। সময় দিবা দ্বিতীয় প্রহর। বাদী রে,সমবাদী প। উভয় গ,উভয় নি ব্যবহার হয়। আ রোহে গ বর্জিত।  দেশ-ঠাট খাম্বাজ,

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

কাশ্মীরী খেমটা-৬ মাত্রা,২টি বিভাগ। ৩|৩ ছন্দ। ১টি তাল,১টি ফাঁক। ১ম মাত্রায় তাল,৪র্থ মাত্রায় ফাঁক।সমপদী তাল।  ১    ২     ৩    ৪     ৫      ৬ ধি    গ্     না|ধা    তি     না   ×                  ০ ২|২ মাত্রা ছন্দ-৪ মাত্রা,২টি বিভাগ। ১টি তাল,১টি ফাঁক। ১ম মাত্রায়  তাল,৩য় মাত্রায় ফাঁক।সমপদী তাল।  ১    ২      ৩     ৪ ধা    ধিন|না   তিন ×             ০ ২|৪ মাত্রা ছন্দ-৬ মাত্রা,ফাঁক নেই।২টি তাল;১ম ও ৩য় মাত্রায় তাল।  ১      ২   ৩     ৪     ৫      ৬ ধি     না|ধা    ধি    ধি     না ×            ২

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

নবপঞ্চতাল-রবীন্দ্রসৃষ্ট তাল,১৮ মাত্রা। ৫টি বিভাগ, ৫টি তাল।ফাঁক নেই,বিষমপদী তাল। ২|৪|৪|৪|৪ ছন্দ। ১ম,৩য়,৭ম,১১শ ও ১৫শ মাত্রায় তাল। ১     ২   ৩         ৪         ৫       ৬     ৭          ৮        ৯       ১০ ধা    ধা|ধাগে    তেটে    দেন    তা|তাগে    তেটে    দেন    তা    ×         ২                                     ৩ ১১        ১২         ১৩      ১৪      ১৫     ১৬        ১৭        ১৮ তেটে     কতা      গদি     ঘেনে|ধাগে   তেটে     তাগে     তেটে ৪                                             ৫ ঠুংরী  তাল-৮ মাত্রা,২টি বিভাগ। ৪|৪ ছন্দ, সমপদী তাল। ১টি তাল,১টি ফাঁক। ১ম মাত্রায় তাল,৫ম মাত্রায় ফাঁক।  ১       ২        ৩         ৪       ৫       ৬       ৭        ৮ ধা      ধিন     নাগে    তেটে|ধা     থুন    নানা    তেটে   ×                                        ০ পঞ্চম সওয়ারী তাল-১৫ মাত্রা,৪টি  বিভাগ। ৪|৪|৪|৩  ছন্দ, ৪টি তালি।ফাঁক নেই,বিষমপদী তাল। ১ম,৫ম,৯ম ও১৩শ মাত্রায় তাল। ১    ২    ৩    ৪     ৫      ৬       ৭    ৮  ৯     ১০   ১১  ১২ ধা   -    ধা    দিন|তা    কৎ    ধু    ম|কি    ট   ত    ক| ×       

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

ঝম্পক তাল-রবীন্দ্রসৃষ্ট তাল।৫ মাত্রা।বিভাগ ২টি।ছন্দ ৩|২    ফাঁক নেই, দুটি তালি।১ম ও ৪র্থ মাত্রায় তাল।বিষমপদী তাল। ১    ২     ৩    ৪     ৫ ধি    ধি    না|ধি     না  ×                 ২ ষষ্ঠী তাল-রবীন্দ্রসৃষ্ট তাল। ৬ মাত্রা,২টি বিভাগ। ফাঁক নেই,দুটি তালি।২|৩ ছন্দ,বিষমপদী তাল। ১ম ও ৩য় মাত্রায় তাল। ১    ২   ৩      ৪      ৫         ৬ ধি    না|ধি     ধি    নাগে     তেটে    ×          ২ অর্ধঝাঁপ তাল-রবীন্দ্রসৃষ্ট তাল,৫ মাত্রা। ২টি বিভাগ, ২|৩ ছন্দ। ফাঁক নেই,বিষমপদী  তাল। ১ম ও ৩য় মাত্রায় তাল। ১    ২   ৩      ৪    ৫ ধি    না|ধি    ধি    না ×           ২ রূপকড়া তাল-রবীন্দ্রসৃষ্ট তাল,৮ মাত্রা।৩ টি বিভাগ, ৩|২|৩ ছন্দ। বিষমপদী তাল,ফাঁক নেই।১ম,৪র্থ,৬ষ্ঠ মাত্রায় তাল। ১    ২      ৩   ৪    ৫   ৬     ৭    ৮ ধি    ধি    না|ধি    না|ধি    ধি   না ×                  ২          ৩ অথবা ধাগে    তেটে    তেটে|তাগে     তেটে|কেটে   তাগে    তেটে কাওয়ালী তাল-৮ মাত্রা,২টি বিভাগ। ৪|৪ ছন্দ, ১টি তাল ও ১টি ফাঁক। সম্পদে তাল, ১ম মাত্রায় তাল ও ৫ম মাত্রায় ফাঁক। ১    ২       ৩          ৪      ৫      ৬        ৭        ৮ ধা    ধি

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

ধামার তাল-১৪ মাত্রা।৪ টি বিভাগ। হিন্দুস্তান সঙ্গীতে প্রচলিত তালটির ১ম বিভাগে ৫ মাত্রা,২য় বিভাগে ২মাত্রা,৩য় বিভাগে ৩ মাত্রা,৪র্থ বিভাগে ৪ মাত্রা।মাত্রাসংখ্যা ৫|২|৩|৪ ;১ম,৬ষ্ঠ ও ১১শ মাত্রায় তাল এবং ৮ম মাত্রায়  ফাঁক। ৩টি তাল, ১টি ফাঁক।বিষমপদী তাল। ১    ২  ৩   ৪    ৫  ৬    ৭  ৮   ৯   ১০ ১১  ১২ ১৩  ১৪ ক   ধি  ট   ধি   ট|ধা   S|গ   দি   ন|দি   ন   তা   S  ×                         ২        ০              ৩ আড়াচৌতাল-মাত্রাসংখ্যা ১৪।বিভাগ ৭।ছন্দ ২|২|২|২|২|২|২ ;৪টি তাল,৩টি ফাঁক। প্রতি বিভাগে ২ টি করে মাত্রা।১ম,৩য়,৭ম,১১শ মাত্রায় তাল ;৫ম,৯ম ও ১৩শ মাত্রায় ফাঁক।সমপদী তাল। ১       ২              ৩      ৪   ৫     ৬   ৭      ৮     ৯ ধিন   তেরেকেটে|ধিন   না|তু    না|কৎ    তা|তেরেকেটে    ×                        ২           ০          ৩            ০ ১০   ১১   ১২   ১৩    ১৪ ধিন|না    ধিন|ধিন   না         ৪             ০ রবীন্দ্রসঙ্গীতে প্রচলিত ধামার তালের ঠেকা : ১    ২   ৩   ৪    ৫   ৬   ৭   ৮   ৯  ১০ ১১ ১২ ১৩  ১৪ ক   ধি   ট |ধি   ট|ধা   S|গ   দি   ন|দি   ন   তা   S ×               ০         ২        ০ 

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

রূপক তাল-৭ মাত্রা। ৩টি বিভাগ। ৩|২|২ ছন্দ।২টি তাল ১টি ফাঁক। ১ম মাত্রায় ফাঁক, ৪র্থ ও ৬ষ্ঠ মাত্রায় তাল। বিষমপদী হিন্দুস্তানী তাল। ১      ২     ৩    ৪     ৫    ৬    ৭ তি    তি     না|ধি    না|ধি   না ০                    ১           ২ চৌতাল-১২ মাত্রা।৬টি বিভাগ। ২টি করে মাত্রা। ৪টি তাল ও ২টি ফাঁক। ১ম,৫ম,৯ম,১১শ মাত্রায় তাল এবং ৩য়,৭ম মাত্রায় ফাঁক। সম্পদে হিন্দুস্তান তাল। ১   ২    ৩      ৪     ৫       ৬      ৭     ৮    ৯         ১০    ১১     ১২ ধা   ধা|দেন   তা|কেটে   ধা|দেন   তা|তেটে   কতা|গদি   ঘেনে ×           ০            ২              ০             ৩                ৪ ত্রিতাল-১৬ মাত্রা,৪টি বিভাগ। ৪টি করে মাত্রা। ৩টি তাল, ১টি ফাঁক। ১ম,৫ম,১৩শ মাত্রায় তাল,৯ম মাত্রায় ফাঁক।সমপদী তাল।খেয়াল,খেয়ালাঙ্গ গানে বাজে। ১      ২       ৩       ৪   ৫     ৬         ৭     ৮    ৯    ১০    ১১    ১২ ধা    ধিন    ধিন    ধা|ধা    ধিন    ধিন   ধা|না   তিন    তিন  তা| ×                              ২                             ০ ১৩       ১৪    ১৫    ১৬ তেটে    ধিন   ধিন    ধা ৩

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

একতাল-১২ মাত্রা। ৪টি বিভাগ। প্রতি বিভাগে ৩টি করে মাত্রা। ৩টি তাল ১টি ফাঁক।১ম,৪র্থ ও১০ম মাত্রায় তাল;৭ম মাত্রায় ফাঁক। সম্পদে তাল।মধ্য ও দ্রুত লয়ের সঙ্গীতে এই তাল বাজে।  ১       ২     ৩     ৪        ৫      ৬    ৭      ৮      ৯       ১০      ১১     ১২ ধিন   ধিন   না|তেটে   ধিন   না|কৎ    তে    ধাগে|তেটে   ধিন   তেটে ×                      ২                      ০                        ৩ ঝাঁপতাল-১০ মাত্রা।৪টি বিভাগ। ১ম ও ৩য় বিভাগে ২টি এবং ২য় ও ৪র্থ বিভাগে ৩টি করে মাত্রা। ৩টি তাল,১টি ফাঁক। ১ম,৩য়,৮ম মাত্রায় তাল;৬ষ্ঠ মাত্রায় ফাঁক। ১     ২   ৩     ৪     ৫    ৬      ৭  ৮     ৯    ১০ ধি    না|ধি    ধি    না|তি    না|ধি    ধি   না ×            ২                  ০           ৩

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

তাল পরিচয় : দাদরা-৬ মাত্রা। ২টি বিভাগ।প্রতি বিভাগে ৩টি করে মাত্রা। ১টি তাল,১টি ফাঁক।১ম মাত্রায় তাল,৪র্থ মাত্রায় ফাঁক।লঘু প্রকৃতির গীত,বাদ্য,নৃত্যের সঙ্গে এই তাল বাজে। ১     ২  ৩    ৪   ৫   ৬ ধা   ধি  না|না   তি   না ×                ০ কাহারবা-৮ মাত্রা।২টি বিভাগ। প্রতি বিভাগে ৪টি করে মাত্রা আছে।১টি তাল,১টি ফাঁক। ১ম মাত্রায় তাল,৫ম মাত্রায় ফাঁক। লঘু প্রকৃতির সঙ্গীতে ব্যবহার হয়।  ১    ২     ৩      ৪   ৫     ৬    ৭    ৮ ধা   গে   না     তি|না   গে   ধি   না ×                          ০ তেওড়া-৭ মাত্রা। ৩টি বিভাগ।১ম বিভাগে ৩টি,২য় ও ৩য় বিভাগে ২টি করে মাত্রা আছে।তিনটি তাল।ফাঁক নেই। ১ম,৪র্থ ও ৬ষ্ঠ মাত্রায় তাল।বিষমপদী তাল। ১    ২    ৩      ৪        ৫       ৬        ৭ ধা  দেন  তা|তেটে   কতা|গদি   ঘেনে ×                   ২                ৩

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

হিন্দোল-ঠাট কল্যাণ। ম তীব্র, বাকী স্বর শুদ্ধ। রে,প বর্জিত। জাতি ঔড়ব-ঔড়ব। বাদী ধ,সমবাদী গ। সময় দিবা প্রথম প্রহর। গম্ভীর প্রকৃতির। বিভাস-ঠাট ভৈরব। রে,ধ কোমল, বাকী স্বর শুদ্ধ। ম,নি বর্জিত। জাতি ঔড়ব-ঔড়ব। বাদী কোমল ধ,সমবাদী কোমল রে।মতান্তরে গ সমবাদী। সময় প্রাতঃকাল। শান্ত ও গম্ভীর প্রকৃতির।  রামকেলী-ঠাট ভৈরব। রে,ধ কোমল;উভয় ম ব্যবহার হয়;উভয় নি ব্যবহার হয়। জাতি ষাড়ব-সম্পূর্ণ। বাদী প,সমবাদী সা।সময় প্রাতঃকাল। গম্ভীর প্রকৃতির।  মিঞামল্লার-ঠাট কাফী।কথিত আছে তানসেন এই রাগ রচনা করেন।কানাড়া ও মল্লার রাগের সংমিশ্রণ ঘটেছে এই রাগে। গ কোমল, উভয় নি ব্যবহার হয়। বাকী স্বর শুদ্ধ। আরোহে গ বর্জিত, অবরোহে ধ বর্জিত। জাতি ষাড়ব-ষাড়ব। বাদী সা,সমবাদী প।সময় মধ্যরাত। বর্ষাকালের রাগ।শান্ত ও গম্ভীর প্রকৃতির।বাহার এর সমপ্রকৃতির রাগ। বসন্ত-ঠাট পূর্বী। রে,ধ কোমল;উভয় ম ব্যবহার হয়। বাকী স্বর শুদ্ধ। আরোহে প,নি বর্জিত।জাতি ঔড়ব-সম্পূর্ণ। বাদী সা,সমবাদী প। সময় রাত শেষ প্রহর। গম্ভীর প্রকৃতির। এই রাগ বসন্তকালে গাওয়া হয়।  পরজ-ঠাট পূর্বী। রে,ধ কোমল;উভয় ম ব্যবহার হয়;বাকী স্বর শুদ্ধ। আরোহে রে,প বর্জিত। জাতি ঔড়ব-সম্পূর্ণ।বাদী সা,সমবাদী

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

দরবারী কানাড়া-ঠাট আশাবরী। গ,ধ,নি কোমল। বাকী স্বর শুদ্ধ। জাতি সম্পূর্ণ-সম্পূর্ণ। বাদী রে,সমবাদী প।সময় মধ্যরাত।গম্ভীর প্রকৃতির। কথিত আছে তানসেন এই রাগের প্রচলন করেন। এর সমপ্রকৃতির রাগ আড়ানা।  আড়ানা-ঠাট আশাবরী। গ,ধ কোমল;শুদ্ধ, কোমল উভয় নি ব্যবহার হয়। আরোহে শুদ্ধ নি,অবরোহে কোমল নি ব্যবহার হয়। আরোহে গ বর্জিত। জাতি ষাড়ব-সম্পূর্ণ। বাদী সা,সমবাদী প। সময় রাা তৃতীয় প্রহর। চঞ্চল প্রকৃতির।  গৌড়মল্লার-ঠাট খাম্বাজ।গৌড় ও মল্লার রাগের সংমিশ্রণ এই রাগ।কোমল গ প্রয়োগ করে অনেকে গান বলে ঠাট কাফী ও বলা হয়। কোমল নি ব্যবহার হয়। বাকী স্বর শুদ্ধ। জাতি ষাড়ব-সম্পূর্ণ। বাদী ম,সমবাদী সা।সময় রাত দ্বিতীয় প্রহর। শান্ত প্রকৃতির। বর্ষাকালে গাওয়া হয়। দেশী/দেশী টোড়ী-ঠাট আশাবরী। গ,নি কোমল। কারো কারো মতে উভয় নি ব্যবহার হয়। আরোহে গ,নি বর্জিত।জাতি ঔড়ব-সম্পূর্ণ। বাদী প,সমবাদী রে। সময় দিবা দ্বিতীয় প্রহর। শান্ত প্রকৃতির।  ললিত-ঠাট মারবা।রে কোমল, উভয় ম ব্যবহার হয়। প বর্জিত। বাদী ম,সমবাদী সা। সময় রাত শেষ প্রহর। প্রাতঃকালীন সন্ধিপ্রকাশ রাগ।শান্ত ও গম্ভীর।  শ্রী-ঠাট পূর্বী।রে,ধ কোমল;ম তীব্র। বাকী স্বর শুদ্ধ। আরোহে গ, ধ বর্জিত।জাতি ঔ

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

সিন্ধুড়া-ঠাট কাফী। গ,নি কোমল,বাকী স্বর শুদ্ধ। আরোহে গ,নি  বর্জিত। বাদী সা,সমবাদী প।সব সময় গাওয়া যায়। মালগুঞ্জী-ঠাট কাফী। শুদ্ধ গ,নি ও কোমল গ,নি ব্যবহার হয়। শুদ্ধ নি কম ব্যবহার হয়। আরোহে প বর্জিত।জাতি খাড়ব-সম্পূর্ণ। বাদী ম,সমবাদী সা।সময় মধ্যরাত। শান্ত প্রকৃতির। এটি বাগেশ্রী অঙ্গের রাগ।বাগেশ্রী, রাগেশ্রী, জয়জয়ন্তী রাগের সংমিশ্রণ মালগুঞ্জী।  শুদ্ধকল্যাণ-ঠাট কল্যাণ। এর প্রকৃতি ভূপালীর মত।আরোহে ম,নি বর্জিত।জাতি ঔড়ব-সম্পূর্ণ। বাদী গ,সমবাদী ধ।সময় রাত প্রথম প্রহর। গম্ভীর প্রকৃতির। ভূপালী,কল্যাণ রাগের সংমিশ্রণে গঠিত। আরোহ ভূপালী ও অবরোহ কল্যাণের মত।অনেকে এই রাগকে ভূপকল্যাণ বলেন।  

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

কাফী-ঠাট কাফী।গ নি কোমল, বাকী স্বর শুদ্ধ। জাতি সম্পূর্ণ-সম্পূর্ণ। বাদী প,সমবাদী সা।গাওয়ার সময় মধ্যরাত। কেদার-ঠাট কল্যাণ। শুদ্ধ ও তীব্র, উভয় 'ম'-ই ব্যবহার হয়। বাকী স্বর শুদ্ধ। আরোহে রে,গ বর্জিত, অবরোহে গ বক্র,দুর্বল।জাতি ঔড়ব-ষাড়ব। বাদী ম,সমবাদী সা।সময় রাত প্রথম প্রহর। শান্ত প্রকৃতির।  আশাবরী-ঠাট আশাবরী। গ,ধ,নি কোমল। বাকী স্বর শুদ্ধ। আরোহে গ নি বর্জিত। জাতি ঔড়ব-সম্পূর্ণ। বাদী ধ,সমবাদী গ।সময় দিবা দ্বিতীয় প্রহর। শান্ত প্রকৃতির।  পূর্বী-ঠাট পূর্বী।রে,ধ কোমল;ম তীব্র। বাকী স্বর শুদ্ধ। জাতি সম্পূর্ণ-সম্পূর্ণ। বাদী গ,সমবাদী নি।সময় দিবা শেষ প্রহর। গম্ভীর প্রকৃতির।  মারবা-ঠাট মারবা।রে কোমল,ম তীব্র, বাকী স্বর শুদ্ধ। প বর্জিত। জাতি ষাড়ব-ষাড়ব। বাদী রে,সমবাদী ধ।সময় দিবা শেষ প্রহর। চঞ্চল প্রকৃতির।  বাগেশ্রী-ঠাট কাফী। গ,নি কোমল;বাকী স্বর শুদ্ধ। আরোহে রে,প বর্জিত। জাতি ঔড়ব-সম্পূর্ণ। বাদী ম,সমবাদী সা।সময় রাত দ্বিতীয় প্রহর। গম্ভীর প্রকৃতির।  বেহাগ- ঠাট বিলাবল।সব স্বর শুদ্ধ। আরোহে রে,ধ বর্জিত। জাতি ঔড়ব-সম্পূর্ণ। বাদী গ,সমবাদী নি।সময় রাত দ্বিতীয় প্রহর। গম্ভীর প্রকৃতির। অবরোহে অনেক সময় প-র সঙ্গে তীব্

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

আল্লাদিয়া ঘরানা-বরোদা রাজসভার গায়ক আল্লাদিয়া খাঁ এর শুরু করেন।কথিত আছে যে তাঁর পূর্বপুরুষেরা হিন্দু ছিলেন।মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেবের রাজত্বকালে ধর্মান্তরিত হন।আল্লাদিয়া খাঁ মহারাষ্ট্রে সঙ্গীত শিক্ষক হিসেবে প্রখ্যাত হন।তাঁর শিষ্যগণ শ্রীমতি কেশরবাঈ কেরকার,শঙ্কর রাও,ভাস্কর বুুয়া বখ্লে,মোঘুবাঈ কুর্দিকর,গোবিন্দ রাও তোম্বে,ভুরজি খাঁ। বৈশিষ্ট্য  হল গান জটিল,অপ্রচলিত রাগ গীত হয়,আলাপ গম্ভীর,অতি তার সপ্তকে গাওয়া হয়।ঠুংরি তেমন গাওয়া হয় না। রাগ পরিচয় : ইমন-এই রাগকে সব রাগের মা বলে।ঠাট কল্যাণ।জাতি সম্পূর্ণ-সম্পূর্ণ। বাদী গ,সমবাদী নি।ম তীব্র, বাকী শুদ্ধ স্বর।গাওয়ার সময় রাত্রি প্রথম প্রহর।শান্ত প্রকৃতির।  বিলাবল-ঠাট বিলাবল।শুধু শুদ্ধ স্বর ব্যবহার হয়।জাতি সম্পূর্ণ-সম্পূর্ণ। বাদী ধ,সমবাদী গ।গাওয়ার সময় দিবা প্রথম প্রহর। শান্ত প্রকৃতির।  ভৈরব-ঠাট ভৈরব।রে,ধ কোমল।বাকী স্বর শুদ্ধ। জাতি সম্পূর্ণ-সম্পূর্ণ। বাদী ধ,সমবাদী রে।গাওয়ার সময় প্রাতঃকাল।গম্ভীর প্রকৃতি। ভূপালী-ঠাট কল্যাণ। সব শুদ্ধ স্বর। ম নি বর্জিত। জাতি ঔড়ব-ঔড়ব। বাদী গ,সমবাদী ধ।সময় রাত প্রথম প্রহর। শান্ত প্রকৃতির।  খাম্বাজ-ঠাট খাম্বাজ। শুদ্ধ ও কোমল নি ব্যব

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

পাতিয়ালা ঘরানা-প্রচলিত মতানুযায়ী দিল্লীর ও জয়পুর ঘরানার সংমিশ্রণ এই ঘরানার উৎপত্তি।বড় মিঞা কালু খাঁ ও কালের খাঁ এর প্রবর্তক।বড় মিঞার দুই পুত্র আলী বখ্স ও ফতেহ আলী খাঁ প্রথমে জয়পুরের গোরখী বাঈ ও পরে দিল্লীর তানরস খাঁর কাছে  সঙ্গীত শিক্ষা করেন। ফলতঃ  তাঁদের গায়কীতে উভয় ঘরানার প্রভাব পড়ে নতুন রীতির উদ্ভব ঘটে।আলী বখ্সের পুত্র বড়ে গুলাম আলী খাঁ পাতিয়ালা ঘরানার গায়ক ছিলেন।কালে খাঁর কাছে তিনি শেখেন।এই ঘরানার বৈশিষ্ট্য খেয়ালের বাণী আকারে সংক্ষিপ্ত ও লঘু।অলঙ্কার,বক্রতান,ফিরৎতান দ্রুত লয়ে প্রয়োগ হয়।এই ঘরানার ঠুংরি টপ্পা প্রভাব বেশি,একে বর্তমানে পাঞ্জাবী ঠুংরি বলে।     

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

জয়পুর ঘরানা-সদারঙ্গ শাহের পুত্র ভূপত খাঁ এই ঘরানার প্রবর্তক।তিনি মনরঙ্গ বা মহারঙ্গ নামে পরিচিত হন।এই ঘরানার গায়ক-গায়িকা আশিক আলি,গোরখী বাঈ।এই ঘরানার বৈশিষ্ট্য সংক্ষিপ্ত বন্দিশ,বক্রতান,খোলা আওয়াজ।এখন এই ঘরানার প্রচলন নেই,এর থেকে পাটিয়ালা ও আল্লাদিয়া ঘরানার প্রচলন ঘটেছে। দিল্লী ঘরানা-মুুঘল আমলের শেষ ভাগে এই ঘরানার প্রচলন  করেন তানরস খাঁ।প্র সার ঘটান পুত্র উমরাও খাঁ।ওস্তাদ চাঁদ খাঁ আধুনিক সময় এই ঘরানার প্রসিদ্ধ গায়ক।দ্রুত লয়ে তান,বোলতান এর বৈশিষ্ট্য।

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

আগ্রা ঘরানা-তানসেনের জামাতা হাজী সুজান সাহেব তথা বচ্চে খুদাবখ্স এই ঘরানা শুরু করেন।গোয়ালিয়র ঘরানা যিনি শুরু করেন অর্থাৎ নত্থন পীর বখ্সের থেকে ইনি শিক্ষালাভ করেন।এই ঘরানার গায়করা হলেন ওস্তাদ ফৈয়াজ খাঁ,বিলায়েৎ হুসেন খাঁ,আলতাফ হুসেন,লতাফৎ হুসেন ও শরাফৎ হুসেন। ধ্রুপদ অঙ্গের খেয়াল,তোম্ নোম্ ব্যবহার করে আলাপ,কাওয়ালী রীতিতে বোল বানাবার নিয়ম,লয়কারি,ছোট খেয়াল এই ঘরানার বৈশিষ্ট্য। কিরাণা ঘরানা-বীণকার বন্দে আলী খাঁ এই ঘরানার প্রবর্তক।গায়করা হলেন ওস্তাদ আব্দুল করিম খাঁ,আব্দুল বদীদ খাঁ।এছাড়া  করিম খাঁর ভ্রাতা আব্দুল হক্,আব্দুল গণি,আব্দুল মজিদ খাঁ। করিম খাঁর শিষ্যগণ সওয়াই গন্ধর্ব,সুুুুরেশ বাবু,শ্রীমতি হীরাবাঈ বরোদকার,শ্রীমতি গাঙ্গুবাঈ হাঙ্গল,শ্রীমতি সরস্বতী রাণে, শ্রীমতি রোশনারা বেগম,রজ্জব আলী খাঁ,বহরে বুয়া।ভাবব্যঞ্জনা,আলাপের প্রাধান্য,এক-একটি স্বরের বিস্তার এই ঘরা নার বৈশিষ্ট্য।

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

ঘরানা- বিভিন্ন শিল্পীদের নিজ স্বভাব,শিক্ষা,পরিস্থিতি অনুযায়ী সঙ্গীত পরিবেশিত হয়।ব্যক্তিত্বেরও প্রভাব পড়ে গান ও বাজনায়।শিল্পীদের বয়স ও অভিজ্ঞতার বাড়ার সঙ্গে পরিবেশনের রীতি ও পরিবর্তিত হয় ও আরও উন্নত হয়।গুরু-শিষ্য পরম্পরায় রীতি এক হয়।শিষ্য গুরুর শিক্ষার দ্বারা প্রভাবিত হয় ও বিশেষ একটি রীতির প্রচলন হয়,তাকেই ঘরানা বলে।বাদ্যের ক্ষেত্রে বাজ বলে।ভারতে সাতটি ঘরানাকে প্রধান মনে করা হয়  : গোয়ালিয়র ঘরানা-নত্থন পীর বখ্স খাঁ এই ঘরানার প্রবর্তক।তাঁর দুই পুত্র কদর বখ্স ও পীর বখ্স।প্রথম জনের তিন পুত্র হস্সু,হদ্দু,নত্থু খেয়াল গায়নে পারদর্শী ছিলেন।হস্সু খাঁর শিষ্যগণ পরম্পরায় হলেন   গুলে ইমাম,মেহদী হুসেন,বালকৃষ্ণ বুয়া,বাবা দীক্ষিত,বাসুদেব যোশী।বালকৃৃষ্ণ বুয়ার শিষ্য পন্ডিত বিষ্ণুদিগম্বর পালুস্কর।পন্ডিতজির শিষ্যরা হলেন বি.এ.কুশলকর,ওঁঙ্কারনাথ ঠাকুর,বিনায়ক রাও পট্টবর্ধন। হদদু খাঁর গায়ক পুত্ররা হলেন রহমত খাঁ ও মহম্মদ খাঁ।এবং জামাতা ইনায়েৎ খাঁ,তাঁর জামাতা ও শিষ্য রামপুুরের মুস্তাক হুুুসেন।ইনি কলাবন্ত হিসাবে প্রসিদ্ধ হন।হদদু খাঁর শিষ্য ইমদাদ হুসেন,তাঁর পুত্র-শিষ্য ওয়াজিদ হুসেন এলাহাবাদ নিবাসী হন।নত্থু খাঁর শিষ্

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

আত্মার স্ফূর্তি সংঘটিত হয় সঙ্গীতের মাধ্যমে।ফলে আত্মবিকাশ ঘটে,যা মানুষের লক্ষ্য।মানুষ সেই চেষ্টাই করে।এজন্য সঙ্গীতের উদ্ভব।ঋষিগণ সঙ্গীতকে দুটি ভাগে ভাগ করেছিলেন।মার্গসঙ্গীত,যা মানুষকে ভগবানের দিকে আকৃষ্ট করে,তাঁর চিন্তায় নিমগ্ন করে।পন্ডিত দামোদর মিশ্রের মতে,এই সঙ্গীত ব্রহ্মার অভিলাষ পূর্ণ করে এবং শিবের সামনে গীত হয়। আবার পৃথিবীর মানুষের মন ভালো করার জন্য দেশী সঙ্গীতের ব্যবস্থা। ভারতীয় সঙ্গীতের উদ্দেশ্য দুটোই।প্রতি স্বরকে এক এক দেবতার রূপ কল্পনা করা হয়েছে।স-পৃথিবী,র-বরুণ,গ-অগ্নি,প-সূর্য।বলতে গেলে পঞ্চতত্বকে মনে করা হয়েছে।রাগের নামকরণ করা হয়েছে দেবতার নামে।যেমন-দূর্গা,ভৈরবী,ভৈরব।শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের মাধ্যমে শুধু মন আনন্দিতই হয়না,মলিনতাও দূূর হয়।

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

আলাপ- আলাপের অর্থ রাগের বিস্তার।এর মাধ্যমে শ্রোতার সঙ্গে গায়ক বা বাদক রাগের পরিচয় ঘটান।এতে তাল  লাগেনা। নোম্ ,তোম্,আকার ইত্যাদি সহযোগে আলাপ করা হয়।বাদী,সমবাদী,বিবাদী স্বর বজায় রাখা হয়।ধ্রুপদ,ধামারে নোম্ ,তোম্ ব্যবহৃত হয়। খেয়ালে  আকার সহযোগে আলাপ করা হয়। ধ্রুপদে  লয়কারির ব্যবহার হয়,তাই,আলাপ বা বিস্তার হয়না।   আলাপের প্রথম ভাগ মধ্য সপ্তকের সা থেকে শুরু করে সপ্তকের পূর্বাঙ্গে ও মধ্য সপ্তকের,দ্বিতীয় ভাগে সপ্তকের উত্তরাঙ্গে ,তৃতীয় ভাগে আলাপ লয়বদ্ধ হয় ও চতুর্থ ভাগে আলাপের গতি আর একটু বাড়ে ও তিনটি সপ্তকের মধ্যে বিচরণ করে।ধ্রুপদ,ধামারে আলাপে মাঝে মাঝে সম্ দেখানো হয়।কখনো  কখনো 'নারায়ণ অনন্ত হরি'  বা  'তুহি অনন্ত হরি' ব্যবহার হয়।এরপর আলাপ শেষ হয়। হিন্দুস্তান সঙ্গীতের বৈশিষ্ট্য: বাদী স্বর সপ্তকের পূর্বাঙ্গে থাকলে সমবাদী স্বর উত্তরাঙ্গে থাকবে এবং উল্টোটা। বাদী স্বর দ্বারা রাগ পূর্বাঙ্গ ও উত্তরাঙ্গ নির্ণয় হয়। বাদী স্বরের স্থান পরিবর্তন করে সময় নির্ণয় হয়। বিবাদী স্বর অবরোহে শুধু ব্যবহার হয়। শুদ্ধ ম যুক্ত রাগ দিনে, তীব্র ম যুক্ত রাগ রাতে গাওয়া হয়। কোমল গ ও কোমল নি যুক্ত রাগ দুপুরে,মধ্

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

ভাতখন্ডে স্বরলিপি পদ্ধতি : শুদ্ধ স্বর- সা রে গ ম প ধ নি কোমল স্বর- রে গ ধ নি(প্রতি স্বরের তলায় ড্যাশ চিহ্ন হবে)   কড়ি বা তীব্র স্বর-ম(মাথায় দাঁড়ি চিহ্ন হবে)। মন্দ্র সপ্তকের স্বরের নীচে বিন্দু হবে। মধ্য  সপ্তকের স্বরের চিহ্ন নেই। তার সপ্তকের স্বরের মাথায় বিন্দু হবে। প্রতি স্বর একমাত্রা হলে হবে প ধ নি সা। দুমাত্রা হলে হবে প - ধ - চারমাত্রা হলে হবে প - - - অর্ধমাত্রা হলে হবে  মধ  গরে (স্বরের নীচে তৃতীয় বন্ধনী হবে) সি কিমাত্রা  হলে হবে  গমনিধ (স্বরের নীচে তৃৃতীয় বন্ধনী হবে নৌকার মত) ১/৮ মাত্রা হলে হবে  গমপমধনিধপ (তৃতীয় বন্ধনী হবে স্বরের নীচে) তালবিভাগ  চিহ্ন "|" সম  চিহ্ন "×" ফাঁক চিহ্ন "০" তালি  চিহ্ন ২ ৩ ৪ মীড় বসে স্বরের উপর ওল্টানো নৌকার মত। স্পর্শ স্বর স্বরের মাথায় বসে। খটকা - (প)=ধপমপ। স্বরলিপি-গ  -  - -               গৈ s s s               

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

আকারমাত্রিক স্বরলিপি বৈশিষ্ট্য : সাতটি শুদ্ধ স্বর-স র গ ম প ধ ন চারটি কোমল স্বর-ঋ জ্ঞ দ ণ। একটি তীব্র বা কড়ি স্বর-ক্ষ। মন্দ্র সপ্তকের নীচে হসন্ত-ন্ ধ্ প্। মধ্য  সপ্তকের চিহ্ন নেই। তার সপ্তকের মাথায় রেফ-র্র র্গ র্ম। প্রতি স্বর একমাত্রা বলে হবে সা রা গা মা। দুটি স্বর নিয়ে একমাত্রা হলে হবে গমা। চারটি স্বর নিয়ে একমাত্রা হলে হবে পধনর্সা। একটি স্বর দুমাত্রা হলে হবে মা -আকার চিহ্ন। একটি স্বর চারমাত্রা-ধা,তিনটি ড্যাশ(-)ও তিনটি আকার চিহ্ন পরপর। তালবিভাগ বোঝাতে '|',তালের সম্ চিহ্ন বোঝাতে সংখ্যার(১,২) মাথায় রেফ,ফাঁক বোঝাতে '০',তাল বোঝাতে ৩ ৪ ৫ ইত্যাদি বসানো হয়। মীড় বোঝাতে নৌকার মত চিহ্ন স্বরের নীচে বসে। স্পর্শ স্বর মূল স্বরের মাথায় কোণে ছোট করে বসে। স্বরের নীচে গানের কথা না থাকলে লেখা হয়-মা -না -ধা।                                                                   আ ০    ০