পোস্ট

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২০ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

Sangeet shastra/Byakaran

রাগ-রাগিণী পদ্ধতি : প্রাচীনকালে প্রত্যেক রাগকে একই পরিবারের অন্তর্ভুক্ত মনে করা হত।প্রতি রাগিণীর পুত্ররাগ ও পুত্রবধূরাগ মিলিয়ে ছয়টি রাগকে মান্যতা দেওয়া হয়।মতান্তরে ছয় রাগের পাঁচ-পাঁচ বা ছয়-ছয় রাগিণী ও আট-আট পুত্ররাগ মানা হত।এই নিয়ম চারটি মতে মানা হত- সোমেশ্বর বা শিবমত :এই মতানুযায়ী ছয় রাগের প্রতিটির ছয়-ছয় রাগিণী ও আট পুত্ররাগ।যথা-ভৈরব,শ্রী,বসন্ত,পঞ্চম,মেঘ,নটনারায়ণ। কল্লিনাথ মত :ছয় রাগ,ছত্রিশ রাগিণী,আট পুত্ররাগ। ভরত মত :ছয় রাগ-ভৈরব,মালকোষ,হিন্দোল,শ্রী,দীপক,মেঘ।পাঁচ-পাঁচ রাগিণী,আট পুত্ররাগ ও পুত্রবধূ রাগ। হনুমত মত :ভরত মতানুযায়ী ছয় রাগ।তবে,রাগিণী,পুত্র ও পুত্রবধূ রাগের মধ্যে পার্থক্য ছিল।এই ছয়টি রাগ বিভিন্ন ঋতুতে গাওয়া হত।যেমন-গ্রীষ্মে দীপক,বর্ষায় মেঘ,শরতে ভৈরব,হেমন্তে মালকোষ,শীতে শ্রী,বসন্তে হিন্দোল। এই রাগ-রাগিণী পদ্ধতি 1100-1800 শতাব্দী অবধি বজায় ছিল।1813 খ্রিস্টাব্দে পটনায় মহম্মদ রজা খাঁ সর্বপ্রথম তাঁর" নগমাতে আসফী " গ্রন্থে ঐ পদ্ধতির অশুদ্ধতা প্রমাণ করেন।তিনি বিলাবল ঠাটকে শুদ্ধ ঠাট মেনে নতুন রাগ-রাগিণী পদ্ধতি তৈরী করেন।