পোস্ট

ডিসেম্বর ১৮, ২০২০ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

Sangeet shastra/Byakaran

ভাওয়াইয়া ভাটিয়ালীর মত।পল্লিবাসী নর-নারীর বিবাহ,মিলন,বিচ্ছেদের গান।পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের ভাষা ও উচ্চারণ অনুযায়ী গায়কী পৃথক। ভাটিয়ালী বাংলাদেশের গান মূলত।পশ্চিমবঙ্গেও গাওয়া হয়।মাঝিরা নৌকা বাওয়ার সময় নিজেদের পরিবার,জীবন নিয়ে গান গেয়ে থাকেন। টুসু মানভূম অঞ্চলের একটি বিশেষ পরব।এই পরব উপলক্ষে যে গান গাওয়া হয়, তাই টুসু গান।বর্ধমান,বিহারের সিংভূম, উড়িষ্যার ময়ূরভঞ্জ-এ এ গান প্রচলিত।  বাঁকুড়া, বর্ধমান,বীরভূমের গ্রামে ভাদু উৎসব উপলক্ষে ভাদু গান গায় কুমারী মেয়েরা। গম্ভীরা গাজনের মত,একে শিবসঙ্গীতও বলা হয়। চৈত্র মাসে মালদহে এই গান গাওয়া হয়। প্রধানতঃ রাজবংশী, পোলিয়া,কোচ,নাগর প্রভৃতি আদিবাসীদের কন্ঠে এই গান শোনা যায়।  মঙ্গলকাব্য হল মনসা, চণ্ডী, শীতলা,ষষ্ঠী প্রমুখ মঙ্গল দেবীর গুণকীর্তন।খ্রীষ্টীয় ত্রয়োদশ-অষ্টাদশ শতাব্দী সময় কে মঙ্গলকাব্যের যুগ বলে।যেমন-মনসামঙ্গল,চণ্ডীমঙ্গল, ধর্মমঙ্গল,শিবমঙ্গল,অন্নদামঙ্গল, ষষ্ঠীমঙ্গল,চৈতন্যমঙ্গল।নৃত্য ও বাদ্যযন্ত্র সহযোগে বিভিন্ন রাগে নিবদ্ধ করে মঙ্গল কাব্যের গান গাওয়া হত।  চারণ বলা হত তাদের,যারা যুুদ্ধকালে বীরগাথা গেয়ে যোদ্ধাদের উৎসাহ দিত।