পোস্ট

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২০ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

বর্ণ-  গানের প্রত্যক্ষ ক্রিয়া হল বর্ণ।বর্ণ চার প্রকার: এক স্বর বারবার উচ্চারিত হলে তা স্থায়ী বর্ণ।যেমন সা সা সা। নীচ থেকে উপরের দিকে স্বর প্রয়োগ হলে তা আরোহী বর্ণ।যেমন সরাগমা রগমপা। উচুঁ থেকে নীচের দিকে স্বর প্রয়োগ হলে অবরোহী বর্ণ।নধপমা ধপমগা। উপরের তিনটি বর্ণের সংমিশ্রণকে সঞ্চারী বর্ণ বলে।পমগরে সরগমা গমপধা পনধপা। গানের বাণীকে স্থায়ী,অন্তরা,আরোহী,অবরোহী,সঞ্চারী ও আভোগে ভাগ করা হয়।ধ্রুপদ গানে স্থায়ী,আরোহী,অবরোহী ও সঞ্চারী বর্ণ থাকে।খেয়াল গানে স্থায়ী ও অন্তরা থাকে।রবীন্দ্রসঙ্গীত,নজরুলগীতি,ভজন,আধুনিক গানে স্থায়ী,অন্তরা,সঞ্চারী,আভোগ থাকে।

Sangeet Shastra/Sangeet Byakaran

 ঠাটের কতকগুলি বৈশিষ্ট্য: ঠাটে সাতটি স্বর অবশ্য থাকবে অর্থাৎ সা রে গ ম প ধ নি। আরোহ-অবরোহ উভয়ই নাও থাকতে পারে। কোনো ঠাটকে চেনার জন্য,ঐ ঠাট থেকে উদ্ভূত রাগকে ঠাটের নামেই চিহ্নিত করা হয়।সেক্ষেত্রে,ঐ রাগে সাতটি স্বর নাও থাকতে পারে। ঠাটে কোনো রঞ্জকতার প্রয়োজন নেই। কোনো রাগে সা বর্জিত হয় না।  বাদী স্বর পূর্বাঙ্গে থাকলে, সমবাদী উত্তরাঙ্গে হবে এবং উল্টোটাও হয়।বাদী স্বরের স্থান পরিবর্তন করে সময় নির্ণয় হয়।  সা,ম,প-এই স্বরগুলি উভয় অঙ্গেই থাকে। বিবাদী স্বর অবরোহে শুধু প্রয়োগ হয়।  শুদ্ধ ম যুক্ত রাগ ভোরে ও তীব্র ম যুক্ত রাগ সন্ধ্যায় গাওয়া হয়।  স্বরের প্রকৃতি অনুযায়ী রাগসমূহকে  তিনভাগে ভাগ করা হয়-কোমল রে ও কোম ল ধ যুক্ত রাগ;শুদ্ধ রে ও শুদ্ধ ধ যুক্ত রাগ;কোমল গ ও কোমল নি যুক্ত রাগ।তৃতীয় প্রকৃতির রাগগুলি দুপুরে বা মাঝরাতে গাওয়া হয়।  প্রথম প্রহরে গীত রাগে আরোহে নি,অবরোহে গ বক্র হয়।  পাশাপাশি দুটি স্বরের অবস্থান কম রাগে হয়।  সকালের রাগে কোমল রে,ধ ও সন্ধ্যার রাগে কোমল গ,নি স্বর বেশি ব্যবহার হয়।  হিন্দুস্তানী রাগে স্বরের প্রাধান্য বেশি। দক্ষিণ ভারতীয় রাগে তালের প্রাধান্য বেশি।